ড্রাগন ফ্রুটের পুষ্টিগুণ

দেশে এখন ড্রাগন ফলের চাহিদা বাড়ছে, তাই উৎপাদনও বাড়ছে।  ড্রাগন ফলটিকে দুই ভাগে কেটে, খুব সহজেই চামচ দিয়ে ভেতরের শাঁস খাওয়া যেতে পারে। আবার মিল্কশেক, কিংবা স্মুদি তৈরি করেও ড্রাগন ফল খেতে পারেন। কথা না বাড়িয়ে তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।



বেশ কিছু প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে ড্রাগন ফল থেকে। এগুলো আমাদের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। এই ফল ফাইবার সমৃদ্ধ ও ফ্যাট ফ্রি। ফলে নিশ্চিন্তে ডায়েট লিস্টে রাখতে পারেন ড্রাগন ফল।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ মেলে ফলটি থেকে। নিয়মিত খেলে তাই বাড়ে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা।

শরীরের জন্য ক্ষতিকর ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সঠিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে ড্রাগন ফল।

আয়রনের চমৎকার উৎস রঙিন ড্রাগন ফল। রক্তশূন্যতার সমস্যা দূর করতে চাইলে তাই প্রতিদিন খাওয়া চাই উপকারি এই ফল।
 
ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে ড্রাগন ফল। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রয়েছে উপকারি এই ফলের।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ড্রাগন ফল।

ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফলটি নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে ও ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে।


ড্রাগন ফ্রুটের পুষ্টিগুণ:


  •  প্রোটিন --০.১৫-০.৫ গ্রাম 
  •  আয়রন --০.৩-০.৭ মিলিগ্রাম 
  •  শর্করা --৯-১০ গ্রাম 
  •  ফসফরাস --১৬-৩৫ গ্রাম 
  •  জল --৮০ গ্রাম 
  •  ভিটামিন বি ৩ --০.২-০.৪ মিলিগ্রাম 
  •  খাদ্য শক্তি --৩৫-৫০ কিলোক্যালোরি
  •  ক্যালসিয়াম --৬-১০ মিলিগ্রাম 
  •  ফ্যাট -- ০.১০-০.৬ মিলিগ্রাম 
  •  আঁশ --০.৩৩-০.৯০ গ্রাম 
  •  ক্যারোটিন -- অল্প 
  •  ভিটামিন এ -- অল্প 
  •  থায়ামিন -- অল্প 
  •  রিবোফ্লামিন -- অল্প 
এবার আমরা জেনে নেব ড্রাগন ফল খাওয়ার কি উপকারিতা আছে।

No comments:

Post a Comment